'একুশ মানে মাথা নত না করা' -এই অমর পঙ্ক্তির রচয়িতা-
'একুশ মানে মাথা নত না করা' -এই অমর পঙ্ক্তির রচয়িতা-
-
ক
আবদুল গাফফার চৌধুরী
-
খ
আবুল ফজল
-
গ
মুনীর চৌধুরী
-
ঘ
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
লেখক আবুল ফজল লিখেছেন-একুশ মানে মাথা নত না করা।
আবুল ফজল রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস চৌচির, রাঙ্গা প্রভাত; গল্পগ্রন্থ: মাটির পৃথিবী, মৃতের আত্মহত্যা; প্রবন্ধ: সাহিত্য সংস্কৃতি সাধনা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন, সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র, মানবতন্ত্র, একুশ মানে মাথা নত না করা। অন্যদিকে, 'একাত্তরের দিনগুলি' হলো শহীদ জননী জাহানার ইমামের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। তাঁর 'দুর্দিনের দিনলিপি' একটি মুক্তিযুদ্ধকালীন ডায়েরি। এর উপজীব্য মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময় এবং তার পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বেঁচে থাকার সংগ্রাম। 'রেখাচিত্র' তাঁর আরেকটি দিনলিপি।

সমাজ ও সমকাল সচেতন প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কথাশিল্পী হিসেবে প্রসিদ্ধ। স্বদেশপ্রীতি, অসাম্প্রদায়িক জীবনচেতনা, সত্যনিষ্ঠা, মানবতা ও কল্যাণবোধ ইত্যাদি তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতিপাদ্য বিষয়। রবীন্দ্রনাথের গান পাকিস্তানের আদর্শের পরিপন্থী এই বক্তব্য উপস্থাপন করে পাকিস্তান সরকার ২২ জুন, ১৯৬৭ সালে রেডিও ও টেলিভিশন থেকে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে সরকারের সে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।
- আবুল ফজল ১ জুলাই, ১৯০৩ সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' (১৯২৬) এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং ১৯৩০ সালে এর সম্পাদক নিযুক্ত হন।
- 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর মুখপত্র 'শিখা'। এটি ১৯২৭ সালে আবুল হোসেনের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার স্লোগান ছিল- 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'। ১৯৩১ সালে তিনি 'শিখা'র ৫ম সংখ্যা সম্পাদনা করেন। তিনি ছিলেন 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের অন্যতম কর্ণধার।
- তিনি 'মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী' নামে খ্যাত।
- তিনি 'জাতির বিবেক' বলে স্বীকৃতি লাভ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (১৯৭৩) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন (১৯৭৫)।
- তিনি উপন্যাসে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২) ও 'রেখাচিত্র' গ্রন্থের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬) পান।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট উপাধি লাভ করেন।
- তিনি ৪ মে, ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে মারা যান।
আবুল ফজলের উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহঃ
উপন্যাস: ‘রাঙ্গা প্রভাত' (১৯৫৭): এটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। ‘চৌচির’ (১৯৩৪), ‘প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৯৪০)।
গল্পগ্রন্থ : ‘মাটির পৃথিবী’ (১৯৪০), ‘মৃতের আত্মহত্যা' (১৯৭৮)।
নাটক : ‘কায়েদে আজম' (১৯৪৬), ‘প্রগতি' (১৯৪৮), ‘স্বয়ম্বরা (১৯৬৬)।
দিনলিপি: ‘রেখাচিত্র' (১৯৬৬), ‘লেখকের রোজনামচা' (১৯৬৯), ‘দুর্দিনের দিনলিপি' (১৯৭২)।
প্ৰবন্ধ: ‘বিচিত্র কথা” (১৯৪০), ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি সাধনা' (১৯৬১), ‘সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন (১৯৬৫), ‘সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র' (১৯৬৮), ‘সমকালীন চিন্তা' (১৯৭০), ‘মানবতন্ত্র’ (১৯৭২), ‘সাহিত্য ও অন্যান্য প্রসঙ্গ' (১৯৭৪), ‘শুভবুদ্ধি’ (১৯৭৪), ‘একুশ মানে মাথা নত না করা' (১৯৭৮), ‘রবীন্দ্র প্রসঙ্গ' (১৯৭৯)।
জীবনী ও স্মৃতিকথা: ‘সাংবাদিক মজিবর রহমান' (১৯৬৭), ‘শেখ মুজিব : তাঁকে যেমন দেখেছি' (১৯৭৮)।
বিখ্যাত গল্প: চোর, বিবর্তন, প্রেম ও মৃত্যু, রহস্যময়ী প্রকৃতি ।
Related Question
View All-
ক
গল্পগ্রন্থ
-
খ
দিনলিপি
-
গ
কাব্যগ্রন্থ
-
ঘ
উপন্যাস
-
ক
টোডারমল
-
খ
বীরবল
-
গ
তানসেন
-
ঘ
আবুল ফজল
-
ক
আবুল ফজল
-
খ
আবদুল কাদির
-
গ
জাহানারা ইমাম
-
ঘ
মুশতারি শফী
-
ক
টোডরমল
-
খ
বীরবল
-
গ
আবুল ফজল
-
ঘ
তানসেন
-
ক
গোলাম মোস্তফা
-
খ
আবুল ফজল
-
গ
আবুল মনসুর আহমেদ
-
ঘ
বদরুদ্দীন ওমর
-
ক
স্মৃতির শহর
-
খ
রেখাচিত্র
-
গ
আমার আপন আঁধার
-
ঘ
কাল নিরবধি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন